নন্দীছড়ার যোদ্ধারা - সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম -(হার্ডকভার)
নন্দীছড়ার যোদ্ধারা - সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম -(হার্ডকভার)
সিলেট-তামাবিল রাস্তার মাইল চারেকের মধ্যে নন্দীছড়া চাবাগান। সেই বাগানের ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমদ হলেন আরিফের প্রিয় ছােট মামা। তিনি সিলেটে তাদের বাসায় বেড়াতে গেলেই হইচই পড়ে যায়। তার জন্য পাত্রী খােজা হচ্ছে, কিন্তু এর মধ্যেই এসে পড়ে ১৯৭১ সালের মার্চ মাস। তার আগুন আর উত্তাপ নিয়ে। মার্চের ২৫ তারিখ রাতে পাকিস্তানিরা যখন কাপুরুষের মতাে ঝাঁপিয়ে পড়ল। বাঙালিদের ওপর, ইমতি মামা মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেন। তার এক বন্ধু রােমানও যােগ দিলেন তার সঙ্গে।
মার্চ শেষ হয়ে এপ্রিল এলে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে থাকল । আরিফের মা, বড়ভাই আনিস আর বােন রামিসা গেলেন একদিকে, আরিফ গেল রােমান মামার সঙ্গে নন্দীছড়া, তার সঙ্গে গেল তার প্রিয় কুকুর কালু। আরিফের বাবা থেকে গেলেন সিলেটে। পেশায় তিনি ডাক্তার, রােগীর কথা তাকে মনে রাখতে হয়। নন্দীছড়ায় দু’মাসের মতাে থাকল আরিফ, সেই বাগান ও একটু দূরের আলিপুর বাগানের তার বয়সী। চারজনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হলাে। দুমাস ধরে অনেক ঘটনা ঘটল। মে মাসের ৩০ তারিখ সকলে মিলে বাগান ছেড়ে গেলেন সীমান্তের দিকে। দুই দল হয়ে চিকন বিল পার হয়ে তারা গেলেন উত্তরে। কিন্তু আরিফ ও তার বন্ধুরা পড়ল শত্রুদের সামনে। তাদের সঙ্গে ছিলেন বাগানের এক কর্মকর্তার স্ত্রী মায়া, আরিফদের মায়া আপা।
আরিফ সাহসের সঙ্গে, বুদ্ধি দিয়ে যুদ্ধ করল। শত্রুদের মােকাবেলা করল, বাংলাদেশে কিছু যে পাকিস্তান-ভক্ত ছিল তাদেরও।
নন্দীছড়ার এই যােদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের বর্ণনা আছে এই বইটিতে, আছে মুক্তিযুদ্ধ কেন হলাে, তার একটা ব্যাখ্যা। রুদ্ধশ্বাস বর্ণনায় এই ক্ষুদে যােদ্ধাদের যুদ্ধজয়ের গল্প । নন্দীছড়ার যােদ্ধারা। |
Product features
Product features
Materials and care
Materials and care
Merchandising tips
Merchandising tips
Share
